বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন

প্রিন্স হালদার,চিতলমারী।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই বাগেরহাটের চিতলমারীর হিজলা ইউনিয়ন এ বইতে শুরু করেছে স্থানীয় নির্বাচনের উৎসবমুখর আমেজ। পাড়া-মহল্লা থেকে শুরু করে চায়ের দোকান—সর্বত্রই এখন আলোচনা আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে। আর এই সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও দক্ষ নেতৃত্বের কারণে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় উঠে এসেছেন তারুণ্যের অহংকার, গরিব দুঃখী মানুষের আস্থার প্রতীক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক এস, এম অছিকুর রহমান।
চিতলমারী উপজেলার ৩নং হিজলা ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য একরাম আলীর সুযোগ্য সন্তান এস, এম অছিকুর রহমান। ব্যক্তিগত জীবনে অত্যন্ত সাদামাটা এই মানুষটি বর্তমানে প্রবাসী বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্যে কর্মরত রয়েছেন।
দেশপ্রেম ও শৃঙ্খলার এক উজ্জ্বল ক্যারিয়ার:
প্রবাস জীবনের পরও এলাকার মানুষের সুখ দুঃখে, ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুদান প্রদান এবং প্রত্যেকটি কর্মকাণ্ডে স্বতঃস্ফূর্তভাবে উপস্থিতি থেকে তিনি সমানভাবে সফল হয়েছেন।
তৃণমূলে গণসংযোগ ও ব্যাপক সাড়া:
বর্ণাঢ্য পেশাগত জীবনের পাশাপাশি এলাকার মানুষের প্রতি নাড়ির টান তাকে সমাজসেবায় উদ্বুদ্ধ করেছে। আসন্ন হিজলা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এরই মধ্যে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ব্যাপক গণসংযোগ শুরু করেছেন এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সভা-সমাবেশে তার সরব উপস্থিতি সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। তৃণমূলের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তার প্রার্থিতা নিয়ে ভোটারদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
কী বলছেন সম্ভাব্য এই প্রার্থী?
নিজের প্রার্থিতা ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা প্রসঙ্গে মো. অছিকুর রহমান বলেন, সমাজসেবা করতে এবং সবসময় ইউনিয়নবাসীর সুখে-দুঃখে পাশে থাকতে ভালোবাসি বলেই আমি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। শুধু হিজলা ইউনিয়ানবাসী নন, দেশ-বিদেশে অবস্থানরত উপজেলার অনেক মানুষ আমাকে এই নির্বাচনে অংশ নিতে অনুপ্রাণিত করেছেন।
উন্নয়নের রূপরেখা নিয়ে আলোনায় অসিকুর রহমান
শুধু রাজনীতি নয়, এলাকার উন্নয়ন নিয়েও রয়েছে তাঁর সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা। স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনায় তিনি তুলে ধরেছেন তার ভবিষ্যৎ ভিশন:
রাস্তাঘাট ও যোগাযোগ: ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামের কাঁচা রাস্তা পাকা করণ এবং বর্ষায় পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা।
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য: প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র স্থাপন। মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ প্রদান।
কৃষি ও কর্মসংস্থান: কৃষকদের আধুনিক কৃষি উপকরণ ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা। যুবকদের জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি।
ডিজিটাল ইউনিয়ন: ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়নের রূপরেখা নিয়ে আলোচনায় নিয়ামত খান* মিনি খেলার মাঠ ও পাঠাগার স্থাপন। মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয়।
তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষের এই অকৃত্রিম ভালোবাসা ও উদ্দীপনাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। সবার দোয়া, সহযোগিতা ও সমর্থন অব্যাহত থাকলে ইনশাআল্লাহ আমি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব এবং হিজলা ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও উন্নত উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করব।
একজন চৌকস ব্যবসায়ী এমন জনসম্পৃক্ততায় স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। সচেতন মহলের মতে, একজন শিক্ষিত, সৎ ও দক্ষ জনপ্রতিনিধি হিসেবে এগিয়ে আসা দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক কাঠামোর জন্যই একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। হিজলা ইউনিয়নবাসী এখন যোগ্য নেতৃত্বের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে।