সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন
বিশেষ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী মো. রাকিব হাসানের বিরুদ্ধে দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং বিল সংক্রান্ত কাজে চাপ প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী,হিসাবরক্ষকের অনুপস্থিতিতে তাঁর দায়িত্ব পালনের কথা অন্য এক জনের থাকলেও প্রকল্পের কর্মচারী প্রীতম কুমার দাসকে দিয়ে ঠিকাদারি বিলের কাজ করানো হয়।
পরে প্রীতম কুমার দাস সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর কাছে বিলের কাগজে স্বাক্ষর চান।
কাগজে প্রয়োজনীয় সিল ও যাচাই সম্পন্ন করে আনার কথা বলা হলে ওসব করা লাগবে না বলে স্বাক্ষর করতে বলেন প্রিতম কুমার। অভিযোগ রয়েছে প্রিতম কুমার বিলের কাগজ পত্র পড়তে বা জাচাই করতেও দিবেন না শুধু স্বাক্ষর করার জন্য চাপ দেন।
কিন্তু সেই কর্মচারি বিলটি নিজে প্রস্তুত বা যাচাই না করতে দেওয়ায় তিনি স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানান।
অভিযোগ রয়েছে, এতে উপজেলা প্রকৌশলী রাকিব হাসান তাঁকে বকাঝকা করেন। পরে তাঁর স্বাক্ষর ছাড়াই ঠিকাদারের বিল পরিশোধ করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে।
পরে ঠিকাদার সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে তাঁর দাপ্তরিক দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন করে বলেন, “আপনার অফিসে থাকার দরকার কী, আপনার তো কোনো কাজ নেই।” এমন মন্তব্য করার অ ভি যোগ করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি।
এ ছাড়া অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা প্রকৌশলী রাকিব হাসান দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। তাঁর সঙ্গে মতের অমিল হলে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে অফিসে বৈঠক করে তাঁদের অনুপস্থিতিতে আলোচনা করেন।
এমনকি তাকে স্টেশন থেকে সরানোর জন্যও বিভিন্ন তদবির করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। আরো
অভিযোগ রয়েছে সব কাজ দেখাশোনার দায়িত্ব থাকার কথা ইঞ্জিনিয়ারের কিন্তু তিনি সেসব কাজ করান সার্ভেয়ার দিয়ে। এতে কাজের মান ঠিক থাকে না।
এছাড়া তার বিরুদ্ধে অনুপস্থিত শ্রমিকের বিল তৈরি করে বেতন আত্মসাৎ,ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বিলের কাগজ স্বাক্ষর করার সময় ৩% পার্সেন্ট করে অবৈধ কমিশন আদায়ের একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
রাকিব হাসানের এসব দুর্নীতি অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বললেই অফিসের কর্মচারীদের পড়তে হয় রোষানলে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মো: রাকিব হাসানের মোবাইলে কয়েক বার কল দিলেও তিনি রিসিপ করেন নি।