সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০০ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞাপন:
আমাদের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম...
শিরোনাম :
কুড়িগ্রামে নানা আয়োজনে দৈনিক কালবেলার ৪র্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বিসিবি’র কাভার্ড ভ্যানে চুরি লুণ্ঠিত ৩ লাখ টাকা উদ্ধার করল রাজশাহী জেলা ডিবি সুন্দরবনে মানুষ ও বাঘের সংঘাত এড়াতে ৭৪ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে নাইলনের বেড়া নির্মাণ গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে পানির মোটর চালাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শ্রমিকের মৃত্যু যশোরে মোটরসাইকেল-পিকআপ সংঘর্ষে প্রেমিক-প্রেমিকার মৃত্যু বেনাপোল বন্দরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে টানা ৮ দিন বন্ধ থাকবে আমদানি-রপ্তানি রামগড়ে হারানো মেয়েকে ৯ বছর পর ফিরে পেলেন মা রামগড় ৪৩ বিজিবির অভিযানে ভারতীয় ছয়টি গরু জব্দ দৈনিক মাতৃজগতের ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সম্মাননা স্মারক পেলেন মিরপুর মডেল থানার ওসি মোঃ হাফিজুর রহমান কুড়িগ্রামে গুড নেইবারস বাংলাদেশের উদ্যোগে বিশ্ব হাতধোয়া দিবস পালিত

ব্রহ্মপুত্রের তীর রক্ষা বাঁধে ধস, ঝুঁকিতে কয়েক গ্রামের মানুষ


‎
‎মোঃ হাবিবুর রহমান
‎কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:২৫-০৯-২০২৬
‎
‎কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের ডান তীর রক্ষা বাঁধের বিভিন্ন স্থানে ফাটল ও ধস দেখা দিয়েছে। এতে কাঁচকোল ও পুঁটিমারি এলাকার কয়েকটি গ্রামের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
‎
‎বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে কাঁচকোল বাজার ও পুঁটিমারি এলাকার মধ্যবর্তী স্থানে বাঁধের প্রায় ৩৫ মিটার অংশে নতুন করে ধস দেখা দেয়। এর আগে গত এক সপ্তাহে কাছাকাছি আরও দুটি স্থানে ফাটল ও ধস দেখা দেয়।
‎
‎পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, কাঁচকোল বাজার থেকে পুঁটিমারি পর্যন্ত প্রায় ৬০০ মিটার অংশের মধ্যে চারটি স্থানে প্রায় ২০০ মিটার এলাকায় ফাটল ও ধস দেখা দিয়েছে। ফলে পুরো ৬০০ মিটার অংশই ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
‎
‎এর আগে গত ১, ১৬ ও ২০ জুলাই একই বাঁধের বিভিন্ন স্থানে ধস দেখা দিলে জরুরি ভিত্তিতে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেয় পাউবো।
‎
‎শুক্রবার দুপুরে ধসের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পাউবো রংপুর বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী। তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে দ্রুত মেরামতকাজ শুরুর উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান।
‎
‎স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ধসের কারণে বাঁধের কংক্রিটের ব্লক ও জিও ব্যাগ নদে পড়ে যাচ্ছে। দ্রুত প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা না নেওয়া হলে তীরবর্তী বাড়িঘর ও আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
‎
‎পাউবো কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, প্রায় ৬০০ মিটার অংশে চারটি স্থানে ফাটল ও ধস দেখা দিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত অংশের পরিমাণ নির্ধারণে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা হচ্ছে। মেরামতকাজের অনুমতির জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে। অনুমতি পাওয়া গেলে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে। আপাতত বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
‎
‎

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2026
Design & Developed BY starwebhostit